
অফিস ডেস্কঃ সোমবার ৬ মে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান (রিপন) সুয়াগাজী বাজারে এক নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন।
২১ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ভোটের সময় ঘনিয়ে আসায় এ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে। রিপন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার কারণে এলাকার আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা স্রোতের মতো আনারসের দিকে ঝুঁকছে।
এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন তিনজন প্রার্থী। তবে ভোটারদের আলোচনা এবং আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তরুণ শিল্পপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান রিপন। তার আনারস মার্কায় ভোট দিয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাকে স্মার্ট ও আধুনিক রূপে গড়ে তোলার সুযোগ আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি।
সোমবার (৬ মে) বিকালে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে প্রচন্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে মিছিলে মিছিলে মুখরিত হয় সুয়াগাজী বাজার এলাকা। তরুণ থেকে বৃদ্ধ উপস্থিত ছিলো আনারস প্রতীকের জনসভায়।
এসময় ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান রিপন বলেন, সদর দক্ষিণের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সকল প্রকার উন্নয়ন ও সুবিধা বঞ্চিত। সারা দেশে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের জোয়াড় বইলেও কুমিল্লা সদর দক্ষিণে তার ছিটেফোটাও লাগেনি।
সদর দক্ষিণের রাজধানীক্ষেত সুয়াগঞ্জ আজ এতোটাই অবহেলিত যে, কিছুদিন পর ইতিহাসের পাতা থেকে হারিয়ে যাবে।
তিনি দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, কুমিল্লা শহরের দক্ষিণ অঞ্চলে সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিলো এই সুয়াগঞ্জ এলাকা থেকে, কিন্তু গত ১৫ বছরে এই এলাকায় একফোটা উন্নয়নও হয়নি, হয়নি কোনো সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হয়নি কোনো নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অদূরদর্শী নেতৃত্বের কারণের এই এলাকার কৃষ্টি কালচার আজ বিলুপ্তির পথে।
তিনি হুশিয়ারি করে বলেন, নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত যারা এসে এলাকার নির্বাচনী পরিবেশে নষ্ট করছে, তারা অতিদ্রুত এই এলাকা ছাড়ুন। না হয় এ এলাকার মানুষ আপনাদের প্রতিহত করবে।
তাছাড়া তিনি সমাবেশে আরো বলেন, আমাকে যদি আপনারা নির্বাচিত করেন, এই এলাকাকে পৌরসভায় উন্নিত করে, এলাকার ইতিহাস, ঐতিহ্য সম্মুন্নত রেখে শেখ হাসিনা সরকারের স্মার্ট ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা সাথে শামিল করবো ইনশাআল্লাহ।
এদিকে ভোটারদের ভাষ্য- রিপন একজন সু-শিক্ষিত এবং যোগ্য ব্যক্তি। দীর্ঘদিন এলাকা তিনি নিজের ক্লিন ইমেজ ধরে রাখতে পেরেছেন । বিশেষ করে সদর দক্ষিণে গত ১২ বছর ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করতে পেরেছেন তিনি। তাই অন্য প্রার্থীদের তুলনা ভোটার মাঠে তিনি এগিয়ে রয়েছেন।
Leave a Reply