
সুজন মজুমদার ||
আগামীকাল শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকা-এর নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন সমাজসেবক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন (ব্যালট নম্বর ৭)।বরুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং ঢাকাস্থ বরুড়া পরিবারকে এক সুতোয় গাঁথতে তিনি ঘোষণা করেছেন একটি অভাবনীয় যুগান্তকারী, উন্নয়নমুখী ও জনকল্যাণমুখী নির্বাচনী ইশতেহার।
১. লক্ষ টাকার বিশেষ তহবিল: সমিতির প্রতিটি ইভেন্ট ও অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করতে তিনি ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে এককালীন ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা আর্থিক অনুদান প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন।
২. স্থায়ী কবরস্থান নির্মাণ: বরুড়াবাসীর শেষ ঠিকানাকে সম্মানজনক করতে বরুড়াতেই সমিতির নামে ৩০ শতক জমি ক্রয় করে একটি আধুনিক ও স্থায়ী কবরস্থান প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
৩. অফিস ব্যবস্থাপনায় নতুনত্ব: সমিতির অফিসকে প্রাণবন্ত রাখতে তিনি নিজ খরচে একজন অফিস সহকারী নিয়োগ দেবেন এবং অফিসে আগত মেহমানদের জন্য সর্বোচ্চ আপ্যায়নের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
৪. সাংগঠনিক আমূল সংস্কার: নেতৃত্বের গতিশীলতা আনতে বর্তমান ৩ বছরের কমিটির মেয়াদ কমিয়ে ২ বছর মেয়াদী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ও সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেবেন।
৫. মর্যাদা ও অধিকারের নিশ্চয়তা: পদের চেয়েও সদস্যের সম্মান বড়—এই নীতিতে বিশ্বাসী দেলোয়ার হোসেন সকল সদস্যের যথাযথ মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন।
৬. একীভূত শক্তিশালী নেটওয়ার্ক: বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং কার্যকরী কমিটির সকল সদস্যকে নিয়ে একটি ইস্পাতকঠিন নেটওয়ার্ক তৈরির মাধ্যমে সমিতির সব কার্যক্রমকে স্মার্ট ও স্বচ্ছ করে তুলবেন।
ভোটারদের উদ্দেশ্যে নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি বলেন, “আমি কেবল স্বপ্ন দেখাতে আসিনি, স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে এসেছি। বরুড়াবাসীর সেবা করার যে সুযোগ আপনারা আমাকে দেবেন, তার প্রতিদান আমি দেব উন্নয়ন আর সততা দিয়ে। আগামী নির্বাচনে ব্যালট নম্বর ৭-এ আপনাদের একটি ভোট হবে বরুড়া জনকল্যাণ সমিতির অগ্রগতির চাবিকাঠি।”
সদস্যদের মাঝে এখন একটাই গুঞ্জন—উন্নয়ন ও সেবার এই ধারা অব্যাহত রাখতে ব্যালট নম্বর ৭-এর কোনো বিকল্প নেই।
Leave a Reply