সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব তালুকদার-এর নেতৃত্বে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালিত হয়। মাটি কাটার খবর পেয়ে বিকেলে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতরা ভেকু ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে প্রশাসনের সদস্যরা স্থানীয়দের নিয়ে জমির মালিক শাহজাহানের বাড়িতে গেলে তাকেও পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরাও প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে সরে পড়েন বলে জানা গেছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভেকুর চাবি না থাকায় সেটি জব্দ করতে তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যার সৃষ্টি হয়। তবে ইউএনও’র কঠোর নির্দেশনায় ভেকুটি যেকোনো উপায়ে জব্দ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর রিজার্ভ সিএনজির মাধ্যমে একজন ইঞ্জিনিয়ারকে এনে ভেকু চালু করা সম্ভব হয়। পরে রেকারের সহায়তায় সেটি উপজেলা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এসিল্যান্ড ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সজীব তালুকদার বলেন, ফসলি জমির মাটি কাটা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আমরা একটি ভেকু জব্দ করব। যারা পালিয়ে গেছে, তাদের পরিচয় শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি অভিযানে সহযোগিতার জন্য আনসার ও পুলিশ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান এবং অবৈধ মাটি কাটা রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
Leave a Reply