সুজন মজুমদার ||
কুমিল্লায় মামা কর্তৃক ১৫ লাখ টাকা লুটতরাজ ও পৈতৃক বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদ, হত্যার হুমকির অভিযোগ করেছেন ভাগিনা রফিকুন্নবি রনি। সোমবার(১৩ মে) বেলা ৩টার সময় রনি কুমিল্লা নগরীর একটি ফ্ল্যাটে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মৃত রেহানা বেগম উনার পিতা সিরাজুল ইসলাম মুহুরীর কাছ থেকে খরিদ সূত্রে ১৯৯৯ সালে দলিল হয়। আমার পিতার সারাজীবন কষ্ট করিয়া আমার নানার কাছ থেকে ২ গন্ডা জায়গার দলিল পান, জায়গাটির পরিমান ৫.৯৪ গন্ডা, যেখানে আমার স্ত্রী সন্তান সহ আমাদের পরিবার নিয়ে জমিটিতে মামাদের সাথে বসবাস করে আসছিলাম এবং আমার পিতা মাতা একই ঘরে বসবাস করতো। পরে আমার মা অসুস্থ হয়ে মৃত্যু বরন করেন। বর্তমানে জমিটি ওয়ারিশ সূত্রে আমরা চার ভাই এর নামে অনলাইন খারিজ কৃত। আমি আমার পরিবার উক্ত ঘরে সার্বক্ষনিক বসবাস করতাম এবং আমার ব্যবহার্য মালামাল ও এহিয়াছে। কিছুদিন ধরে আমার মামার ডেভেলপার কোম্পানিতে মিলিত হওয়ার জন্য বিগত দিন থেকে আমাকে বলে আসছিল। আমি এতে একমত না হওয়ায় তাদের সাথে ভাগাভাগি নিয়ে আমার উপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। আমাদের ২ গন্ডা জায়গা হিসেবে না দিয়ে ১/২ টা ফ্লাট দিবে নতুবা টাকা দিয়ে দিবে আমরা যেন অন্যস্থানে চলে যাই বলে আমাদের হুমকি ধামকি প্রদান করতে থাকে এবং সন্ত্রাসী দিয়ে দখল নিবে। আমরা যেন মালামাল নিয়ে বের হয়ে যাই। তাদের ভয়ভীতি ও অত্যাচারের কারনে গত ২৭ এপ্রিল থানায় আমি একটি অভিযোগ দায়ের করি। পরবর্তীতে আমি গত ১ মে আমার মেয়েকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে বিবাদীরা সন্ত্রাসী নিয়ে ঘরের দরজা মেশিন দিয়ে কেটে আমাদের ঘর দখল করে নেয় এবং ভিতর দিয়ে লক করে আমাদের ঘর থেকে ঘরে থাকা মালামাল ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়।
তিনি আরও বলেন, আমি ৯৯৯ ফোন করে সাহায্য চাই। কিন্তু পুলিশ আমাদের কথা না শোনে তাদের সাথে এক হয়ে দরজায় তালা মেরে দেয় এবং মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত প্রবেশ করতে নিষেধ করেন। থানায় অভিযোগের পর কোন সমাধান পাইনি। পরে ৯ মে ৬.৩০মিনিটের দিকে আমার স্ত্রী আমাদের মাল সামানা নিয়ে যাচ্ছে আমি দ্রুত আসলে দেখি ভ্যানে করে আমাদের মাল অজ্ঞাত স্থানে আমার মামা পিন্টু নিয়ে যাচ্ছে আমি জোড় করে ঘরে প্রবেশ করে বাধা প্রদান করলে সবাই আমার উপর ঝাপিয়ে পরে মারধর করতে থাকে। আমার স্ত্রী বাচাতে আসলে তার চুলের মুঠি ধয়ে ধাক্কা দেয় এবং অশালীন ব্যবহার করে আমাদের ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় মোঃ মনিরুল ইসলাম পিন্টু, শফিকুল ইসলাম বিটু, মিজানুর রহমান। মিজান নাব্বির। (হুমায়ুন কবীরের সন্তান), মিরাজ। আমরা তাদের হিংস্র মনোভাব থেকে আমরা নিরাপত্তা চাই। বর্তমানে আমি পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি।
এই বিষয়ে অভিযুক্তকারী মনিরুল ইসলাম পিন্টুকে একাধিকবার কল করে পাওয়া যায়নি।
Leave a Reply