
বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন এর কেন্দ্রীয় কার্যনিবার্হী কমিটির নির্বাচন-২০২৪ এর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পদে ড. এস এম মোজাম্মেল হোসেন কেন একজন সেরা প্রার্থী? সে বিষয় নিয়ে আলোকপাত করা হলোঃ
১. তিনি একজন পিএইচডি ডিগ্রিধারী প্রার্থী বিধায় তিনি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সমস্যা ও বৈষম্যগুলো নিয়ে নতুন গবেষণা করে কীভাবে সমস্যাগুলো সমাধান করা যায় সে বিষয়ে যৌক্তিক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।
২. ড. এস এম মোজাম্মেল হোসেন যেহেতু ২০০৮ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ডেপুটি জেলার হিসেবে বাংলাদেশ কারা বিভাগে ডেপুটি জেলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তাই সরকারি চাকরির বিধি বিধান সম্পর্কে তাঁর স্পষ্ট ধারণা আছে। এছাড়াও তিনি ২০১১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের বিভিন্ন দপ্তর ও কলেজে চাকরি করে বিচিত্র অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ২০১৭ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে কর্মরত থাকাকালীন তিনি মর্যাদা রক্ষা কমিটি কর্তৃক No BCS No Cadre আন্দোলনের সহ-সম্পাদক পদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন এবং আত্মীকরণ বিধিমালা ২০১৮ বিধিমালা প্রণয়নে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যদের সংগঠিত করেন।

৩. তাঁর নেতৃত্ব গুণাবলি ও সাংগঠনিক দক্ষতা অসাধারণ। তিনি একজন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হওয়া সত্ত্বেও একজন শ্রেষ্ঠ ইংরেজি বক্তা, শ্রেষ্ঠ ইংরেজি বিতর্ক চ্যাম্পিয়ন ও শ্রেষ্ঠ দলনেতা।
৪. তাছাড়া তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় একজন সংগীত শিল্পী। ইতোমধ্যে তিনি ২৫ টিরও বেশি গান রচনা করে, সুর দিয়ে জনপ্রিয় গীতিকার, সুরকার ও সংগীত শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি সংগীত প্রতিযোগিতার লোকসংগীত অডিশনে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ বেতারের একজন তালিকাভুক্ত সংগীত শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন।
৫. ড. এস এম মোজাম্মেল হোসেন এর সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ অসাধারণ। তিনি বর্তমানে ২৯তম বিসিএস অল ক্যাডার ফোরামের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাই তিনি যদি তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন তাহলে তিনি আমাদের শিক্ষা ক্যাডারের সমস্যাগুলো অন্যান্য ক্যাডারের সাথে আলাপ আলোচনা করে সমাধান করতে পারবেন।
৬. ড. এস এম মোজাম্মেল হোসেন নবীনগর সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের একজন সফল যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাছাড়া তিনি নবীনগর সরকারি কলেজের বিএনসিসি প্লাটুন এর প্রফেসর আন্ডার অফিসার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে নবীনগর বিএনসিসি প্লাটুন অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মাননা পায়।
৭. ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যনিবার্হী কমিটির নির্বাচনে সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সারা বাংলাদেশের সরকারি কলেজগুলো থেকে তিনি ৩১৭১ ভোট পেয়ে ২য় স্থান অর্জন করেছিলেন। এটা শিক্ষা ক্যাডারের একটি স্মরণীয় ঘটনা।
৮.২৯তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে যোগদান করেছিলেন। কিন্তু বিসিএস পরীক্ষায় তাঁর প্রথম পছন্দ ছিলো বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারে। ফলশ্রুতিতে ড. এস এম মোজাম্মেল হোসেন বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৭৬ নম্বর পেয়েছিলেন। এই জন্য বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে মেধা তালিকায় ৫ম স্থান অধিকার করেছিলেন। মেধা তালিকায় ৫ম স্থান অধিকার করায় তিনি ২০১৬ সালে মাত্র ৫ বছরে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন। এটি শিক্ষা ক্যাডারে একটি অসাধারণ বিরল ঘটনা।
৯. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের চাকুরির বিধি বিধান, প্রজ্ঞাপন, স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, অন্য ক্যাডার ও চাকুরি সম্পর্কিত তথ্যাদি, চাকুরির সুযোগ সুবিধা, দাবি-দাওয়া সম্পর্কিত তথ্যাদি ও দাবিনামা প্রণয়ন, শিক্ষা ও শিক্ষা সম্পর্কিত তথ্য ও সুযোগ সুবিধা সম্পর্কিত বিষয়ে গবেষণা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবো ও চাকুরি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ দলিল ও কাগজপত্র সংরক্ষণ করবো।
শুভেচ্ছান্তে
ড. এস এম মোজাম্মেল হোসেন
সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ,
কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ।
তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পদপ্রার্থী
ড. রুহুল কাদীর-হুমায়রা-কামাল প্যানেল
Leave a Reply