1. pcumilla30@gmail.com : Suzan :
বরুড়ায় মিথ্যা মামলায় ১২ বছর জেল খেটে জামিন পেয়ে ৩ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ - প্রথম কুমিল্লা
April 16, 2026, 2:34 pm
শিরোনামঃ
বরুড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিদায় ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া মাহফিল কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দেবিদ্বার অংশে বাস সিএনজি সংঘর্ষে মা ছেলে নিহত কুবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন হট্টগোল ঠেকাতে পুলিশকে ফোন, পুলিশ এসে বাঁধাল বড় বিপত্তি  চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক সাগর লাকসামে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি আবুল কালাম দেবিদ্বার পৌরসভা মেয়র পদে নির্বাচনের ঘোষণা ভিপি শাহিন দেবিদ্বার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়বেন যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আবুল হোসেন কুমিল্লা ইপিজেডে ফুটপাত সংস্কার নামমাত্র কাজ করে টাকা ভাগবাঁটোয়ারা দেবিদ্বার পৌরসভা এলাকায় ইমামকে মারধর ও হেনস্তা বিচার দাবিতে ইউএনওকে স্মারকলিপি

বরুড়ায় মিথ্যা মামলায় ১২ বছর জেল খেটে জামিন পেয়ে ৩ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • Update Time : Thursday, February 5, 2026
  • 182 Time View
ছবি: প্রথম কুমিল্লা

স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘ ১২ বছর মিথ্যা বানোয়াট মামলায় খালাস পেয়ে তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগী আলহাজ্ব খোরশেদ আলম গাজির বাড়ি

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের শাকপুর গ্রামে। সে তার শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় প্রায় সময়ে অবস্থান করতেন এরি মধ্যে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করে বলে জানান খোরশেদ আলম

দীর্ঘ ১২ বছরের আইনি লড়াই এবং যে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে আমার জীবন অতিবাহিত হয়েছে। আমি একজন নিরপরাদ মানুষ হয়েও মিথ্যে ডাকাতির মামলার মতো একটি মামলার কলঙ্ক নিয়ে দীর্ঘ ১২ বছর সমাজ এবং রাষ্ট্রের কাছে অপরাধী হিসেবে
বেছে চিলাম, আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে বিজ্ঞ আদালত আমাকে নির্দোষ প্রমাণ করে ঐ মামলায় থেকে বেখসুর খালাস দেয়। এরি মধ্যে আমি মিথ্যা বানোয়াট মামলা সহ আমাকে হয়রানি করার বিষয় বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (IGP) ডিআইজি, চট্টগ্রাম রেঞ্জ নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি অভিযোগে উল্লিখিত বিষয় মিথ্যা মামলায় ১২ বছর হয়রানি, পুলিশি নির্যাতন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আবেদন ​আমি আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম গাজী, পিতা:শরাফত আলী গ্রাম: শাকপুর, থানা: বরুড়া, জেলা: কুমিল্লা।

​বিবাদীগণ:
১. শেখ কামাল (তদন্তকারী কর্মকর্তা)।
২. আমিনুল আলম (তৎকালীন ওসি)।
৩. সজল কুমার কানু (তদন্ত ওসি)।
৪. রেবেকা সুলতানা (এপিপি, সংশ্লিষ্ট আদালত)।
৫. এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য অসাধু পুলিশ সদস্য ও দালাল চক্র।
​সূত্র: মুরাদনগর থানা মামলা নং- ১২, তারিখ: ০৮/০৮/২০১৩; জিআর মামলা নং- ১৪৬/১৫।

​মহোদয়,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী একজন ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবক। গত ০৮/০৮/২০১৩ তারিখে মুরাদনগর থানার সামনে থেকে আমাকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আটক করা হয়। উক্ত দিনে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও বানোয়াট ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:
​১. বেআইনি আটক ও নির্যাতন: বাজার করতে গিয়ে শুধুমাত্র ঠিকানার কথা বলায় পুলিশ আমাকে থানায় নিয়ে যায় এবং কোনো কারণ ছাড়াই প্রায় ৩০ মিনিট অমানুষিক নির্যাতন চালায়। আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৩৯৪ ধারায় ডাকাতি মামলায় ৩ নং আসামি করা হয়।
২. রিমান্ড ও শারীরিক অসুস্থতা: বিজ্ঞ আদালত ২ দিনের জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিলেও, আমাকে কোনো জিজ্ঞাসাবাদ না করে আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটানো হয়। যার ফলে আমি দীর্ঘ ২৭ দিন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুচাইতলী) কারাবন্দি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলাম।

৩. পরিকল্পিত হয়রানি: জেল থেকে বের হওয়ার পর আমাকে পুনরায় একটি মিথ্যা বিস্ফোরক মামলায় (আসামি নং ১৩৩) জড়ানো হয়, যা আমার জীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে।
৪. ঘুষ দাবি ও অডিও প্রমাণ: মামলা চলাকালীন এপিপি রেবেকা সুলতানা মামলা শেষ করে দেওয়ার নামে ৩০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন, যার ভিডিও রেকর্ড আমার নিকট সংরক্ষিত আছে। এছাড়াও সার্কেল অফিসের কম্পিউটার কনস্টেবল কর্তৃক ঘুষ দাবির অডিও রেকর্ডও বিদ্যমান।
৫. তদন্তের ত্রুটি ও ষড়যন্ত্র: এজাহারে আসামির সংখ্যা নিয়ে গরমিল এবং মূল আসামিকে বাদ দিয়ে আমাকে ১ নং আসামি করার যে হীন প্রচেষ্টা তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তারা (শেখ কামাল ও অন্যান্য) করেছিলেন, তা বর্তমানে সার্কেল অফিসারের তদন্তে এবং আদালতের রায়ে প্রমাণিত।
৬. আদালতের রায়: দীর্ঘ ১২ বছর আইনি লড়াইয়ের পর বিজ্ঞ আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আমাকে সসম্মানে খালাস প্রদান করেছেন।

​প্রার্থনা:
আমি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে যে সামাজিক মর্যাদা হানি, শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতির (যার আনুমানিক পরিমাণ ২ কোটি টাকা) সম্মুখীন হয়েছি, তার বিচার চাই। একজন নিরপরাধ আলহাজ্ব ব্যক্তিকে ডাকাতির মামলার কলঙ্ক দিয়ে যারা জীবন ধ্বংস করেছে, সেই তদন্ত কর্মকর্তা শেখ কামালসহ সংশ্লিষ্ট অসাধু ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© Prothomcumilla.com   2024
Theme Customized By one host